WHAT’S HOT NOW

Banner

Business

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Search This Blog

Blog Archive

Find The Job That Fits Your Life

Resume-Library is a true performance-based job board. Enjoy custom hiring products and access to up to 10,000 new resume registrations daily, with no subscriptions or user licences. Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book.

Social bar

Subscribe Us

Banner

Banner

Life & style

Banner2

Banner

Games

Native

Banner3

Sports

মাদকের দেড় কোটি টাকায় ডেনমার্কে রেস্তোরাঁ খুলতে চেয়েছিলেন তিনি

 

মাদকের দেড় কোটি টাকায় ডেনমার্কে রেস্তোরাঁ খুলতে চেয়েছিলেন তিনি


আহমদুল হাসান ঢাকা

আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৩




ডিএনসির হাতে গ্রেপ্তার তামজীদ পাটোয়ারী (ডানে) ও তাঁর সহযোগী মনিবুর রহমান



কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে নতুন মাদক টাপেন্টাডল ট্যাবলেট দেশে আসছে। পরে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তা ছড়িয়ে দিচ্ছে একটি চক্র। এই চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর এমন তথ্য জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

ডিএনসির কর্মকর্তারা বলছেন, কুমিল্লা থেকে তামজীদ পাটোয়ারী (২৯) ছদ্মনামে ওষুধের ঘোষণা দিয়ে টাপেন্টাডল ট্যাবলেটের চালান কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ঢাকায় নিজের ঠিকানায় পাঠাতেন। তিনিই এগুলো কুরিয়ার সার্ভিস থেকে সংগ্রহ করে হাজারীবাগের নিজের ভাড়া বাসায় রাখতেন। সেখান থেকে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী আবারও কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠাতেন।


ঢাকার হাজারীবাগের হাজী আফছার উদ্দিন সড়কের একটি বাসা থেকে ৩ অক্টোবর ১ লাখ ২১ হাজারটি টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ তামজীদ ও তাঁর সহযোগী মনিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেন ডিএনসির কর্মকর্তারা। তাঁদের গ্রেপ্তারের পরই ডিএনসির কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানতে পারেন। অভিযানে তাঁর কাছ থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকাও উদ্ধার করা হয়।

ডিএনসি বলছে, তামজীদ ডেনমার্কে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাঁর পরিকল্পনা ছিল, সেখানে একটি রেস্তোরাঁ খুলবেন। এ জন্য দরকার ছিল দেড় কোটি টাকা। মাদক ব্যবসা করে তিনি দেড়


কোটি টাকা আয়ও করেছেন। এরই মধ্যে ভারতে তিনি প্রায় ৭৫ লাখ টাকা হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করেছেন।

ডিএনসির কর্মকর্তাদের ভাষ্য, টাপেন্টাডল ট্যাবলেট মূলত ব্যথানাশক হিসেবে ভারতে ব্যবহৃত হয়। তবে বাংলাদেশে এটি ‘খ’ শ্রেণির মাদক। ২০২০ সালে এই ট্যাবলেটকে মাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। দেশে ইয়াবা ট্যাবলেটের বিকল্প হিসেবে এই মাদক ব্যবহার করছিল মাদকসেবীরা। গ্রেপ্তারের পর তামজীদ ও তাঁর সহযোগী মনিবুর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। তাতে বলেছেন, ভারতের একজন নাগরিকের মাধ্যমে ভারত থেকে দেশে আনতেন এই ট্যাবলেট। পরে ক্রেতাদের চাহিদামতো দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাতেন।

ডিএনসির ঢাকা মহানগর উত্তর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান প্রথম আলোকে বলেন, তামজীদের বাবা ব্যবসায়ী ছিলেন। কুমিল্লায় তাঁদের সার ও কীটনাশকের ব্যবসা এবং ঢাকার হাজারীবাগে একটি রেস্তোরাঁ ছিল। কয়েক বছর আগে তিনি মারা যান। তারপর থেকে তাঁর বাবার ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন তামজীদ। দুই বছর আগে এক ভারতীয় নাগরিকের সঙ্গে পরিচয় হয় তামজীদের। তিনিই তামজীদকে টাপেন্টাডল ট্যাবলেট এনে ব্যবসার পরামর্শ দেন। তারপর রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দিয়ে তিনি এই ব্যবসা শুরু করেন। গ্রেপ্তার মনিবুর তাঁর রেস্তোরাঁর ব্যবস্থাপক ছিলেন।


আসামিদের জবানবন্দির বরাত দিয়ে ডিএনসির কর্মকর্তারা জানান, ভারতের নাগরিক কথিত চিকিৎসক প্রশান্ত সাহা বিভিন্ন সময় তামজীদের রেস্তোরাঁয় আসা-যাওয়া করতেন। এই সূত্র ধরেই তাঁর সঙ্গে তামজীদের পরিচয় হয়। তিনি আন্তদেশীয় মাদক চক্রের সদস্য। প্রশান্ত সাহা ভারতের তেলেঙ্গানা এবং গান্ধীনগর এলাকা থেকে এটি সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন সীমান্তবর্তী অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে পাঠাতেন।

ডিএনসির ঢাকা মহানগর উত্তর অঞ্চলের উপপরিচালক রাশেদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, টাপেন্টাডল ট্যাবলেট কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ঢাকায় আনতেন তামজীদ। গত দুই বছরে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমেই ৩২টি চালানের তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে। আরও কয়েকটি কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমেও এগুলো ঢাকায় আনা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে।


কালিয়াকৈরে বেতন বাড়ানোর দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

 কালিয়াকৈরে বেতন বাড়ানোর দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ


প্রতিনিধি গাজীপুর

প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৩




বেতন বাড়ানোর দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করছেন বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকেরা। সোমবার সকাল ৯টার দিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক তেলিরচালা এলাকায়




গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় বেতন বাড়ানোর দাবিতে পাঁচটি কারখানার শ্রমিকেরা বিক্ষোভ-মিছিল করছেন। আজ সোমবার সকাল ৯টা থেকে উপজেলার মৌচাক তেলিরচালা এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে তাঁরা এই কর্মসূচি পালন করছেন। এতে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। জুতা, ওষুধসহ পাঁচটি কারখানার শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।


কারখানার শ্রমিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার তেলিরচালা এলাকার পূর্বাণী গ্রুপের করিম টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিকেরা সর্বনিম্ন মূল বেতন ১৫ হাজার টাকা করার দাবিতে আজ সকাল ৯টায় বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় আশপাশের লগোজ অ্যাপারেলস, হাইড্রো অক্সাইড সোয়েটার কারখানা, এপিএস অ্যাপারেলস, বে ফুটওয়ার কারখানার শ্রমিকেরা তাঁদের সঙ্গে একই দাবিতে বিক্ষোভে যোগ দেন। একপার্যায়ে শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে দেন। এতে উভয় দিকে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। দুর্ভোগে পড়েন বিভিন্ন পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীরা।
মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকেরা বেতন বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করছেন। সড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করেছেন। শ্রমিকদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চলছে।






বেতন বাড়ানোর দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছেন বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকেরা। সোমবার সকাল ৯টার দিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক তেলিরচালা এলাকায়



করিম টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিক আছিয়া বেগম বলেন, তাঁদের এখন সর্বনিম্ন মূল্য বেতন দেওয়া হয় ৮ হাজার ২০০ টাকা। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে এই টাকায় তাঁদের সংসার চলছে না। তাই সর্বনিম্ন মূল বেতন ১৫ হাজার টাকা করার দাবিতে তাঁরা আন্দোলনে নেমেছেন।

লগোজ অ্যপারেলস কারখানার শ্রমিক মো. সোলাইমান বলেন, ‘যে বেতন পাই, তা দিয়ে সংসার চালাতে পারি না। ঘরভাড়া দিয়ে যা থাকে, তা দিয়ে সারা মাস খেতেও পারি না। মাস শেষে ধারদেনা করে চলতে হচ্ছে।’

সর্বশেষ আজ বেলা ১১টার দিকে এই প্রতিবেদন লেখার সময় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি চলছিল।




কামরাঙ্গীরচরে পাঁচ তারকা হোটেল বানাবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি

 

কামরাঙ্গীরচরে পাঁচ তারকা হোটেল বানাবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি


নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা

প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৩




কামরাঙ্গীরচরে বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট কামরুল সরণির নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে     গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসছবি: সংগৃহীত



তুলনামূলক পিছিয়ে পড়া এলাকা রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে পাঁচ তারকা হোটেল বানানোর ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেছেন, ওই এলাকায় পরিকল্পিত আবাসন, কনভেনশন হল, ৫০ তলাবিশিষ্ট নান্দনিক ভবনসহ অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ করা হবে। বুড়িগঙ্গা নদীর তীর হয়ে চার সারির সড়ক নির্মাণ করা হবে। এভাবেই কামরাঙ্গীরচরকে একটি আধুনিক নগরীতে পরিণত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।


আজ বুধবার সকালে কামরাঙ্গীরচরের লোহার ব্রিজ থেকে নিজামবাগ বেড়িবাঁধ পর্যন্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট কামরুল সরণির নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মেয়র। এরপর তিনি গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন।


কামরাঙ্গীরচরকে একটি আধুনিক ব্যবসায়িক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র বলেন, কামরাঙ্গীরচরে অপরিকল্পিত নগরায়ণ হয়েছে। উন্নত দেশে একটি সেন্ট্রাল বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট বা ফিন্যান্সিয়াল হাব থাকে। সেভাবেই কামরাঙ্গীরচরকে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।


মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, আদি বুড়িগঙ্গা পুনঃখনন করা হচ্ছে। এর পাশ দিয়েই নান্দনিক পরিবেশ তৈরি করা হবে। এই লোহারপুল সেতুর জায়গায় ছয় সারিবিশিষ্ট একটি আধুনিক সেতু হবে। এর উত্তর দিকের এলাকায় আধুনিক মানের পাঁচ তারকা হোটেল, কনভেনশন হল, ৫০ তলাবিশিষ্ট নান্দনিক ভবনসহ অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ করা হবে। আর দক্ষিণ দিকে সুন্দরভাবে আবাসন গড়ে তোলা হবে। এ ছাড়াও বুড়িগঙ্গা নদীর তীর দিয়ে নিজামবাগ থেকে ঝাউচর পর্যন্ত আরও চার সারির সড়ক নির্মাণ করা হবে। এভাবেই কামরাঙ্গীরচরকে একটি আধুনিক নগরীতে পরিণত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।


বিরোধী দল নির্বাচনে প্রচার চালাতে পারবে কি না, জানতে চেয়েছে মার্কিন প্রতিনিধিদল

 

বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিরোধী দল নির্বাচনে প্রচার চালাতে পারবে কি না, জানতে চেয়েছে মার্কিন প্রতিনিধিদল


বিশেষ প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৩


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীআসাদুজ্জামান খান কামালফাইল ছবি


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কা আছে কি না, তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের কাছে জানতে চেয়েছে ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্–নির্বাচনী প্রতিনিধিদল। বিশেষ করে বিরোধী দল নির্বাচনে এলে তারা সঠিকভাবে প্রচার চালাতে পারবে কি না এবং প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়া যাবে কি না, তা জানতে চেয়েছে প্রতিনিধিদলটি।

সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আজ বুধবার দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে নয় সদস্যের মার্কিন প্রতিনিধিদলটি। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানেই প্রতিনিধিদল যেসব বিষয় জানতে চেয়েছে, তা তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি প্রতিনিধিদলকে কী বলেছেন, তা–ও সাংবাদিকদের জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বলেছি, আমাদের পুলিশ বাহিনী, নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনী—যারা নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনের অধীন ন্যস্ত, তারা খুবই প্রশিক্ষিত ও সবকিছু ভালোভাবে জানে। কাজেই অসুবিধা হবে বলে মনে করছি না।’ তিনি প্রতিনিধিদলকে জানিয়েছেন, নির্বাচনে সহিংসতা হবে বলেও মনে করেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


নেতানিয়াহুর বিদায়ঘণ্টা কি বাজতে যাচ্ছে

 নেতানিয়াহুর বিদায়ঘণ্টা কি বাজতে যাচ্ছে

সিএনএন

প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৩


ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুফাইল ছবি: রয়টার্স


ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠন হামাসের নজিরবিহীন হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে ইসরায়েল। এই ব্যর্থতার জেরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিদায়ঘণ্টা বাজতে পারে। অন্তত ইসরায়েলি ইতিহাস এ কথাই বলছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে এমনটাই বলা হয়েছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়, তিন দশকের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি রাজনীতিতে আছেন নেতানিয়াহু। এই সময়কালে তিনি কিছু ‘ডাকনাম’ অর্জন করেছেন।

যেমন পরাজয়ের মুখ থেকে বিজয় ছিনিয়ে নেওয়ার অদ্ভুত ক্ষমতার জন্য নেতানিয়াহু ‘দ্য ম্যাজিশিয়ান’ নাম পেয়েছেন।


ব্যাংক খাতে কেলেঙ্কারি কি ঘটতেই থাকবে?

ব্যাংক খাতে কেলেঙ্কারি কি ঘটতেই থাকবে?




রেজাউল করিম খোকন: আবারও আলোচনায় এসেছে ব্যাংক খাতের অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়টি। ইসলামী ব্যাংক থেকে কাগুজে কোম্পানিকে ঋণ দেয়ার ঘটনা প্রকাশের পর তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আগে যেসব অনিয়ম হয়েছে, তার আদায় ও বিচারের কতটা অগ্রগতি হয়েছে, সে বিষয়টিও সামনে আসছে। গত এক যুগের প্রধান ঘটনাগুলো তালিকা করলে প্রথমেই আসবে সোনালী ব্যাংকের হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা। এর পরই বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি, জনতা ও প্রাইম ব্যাংকে বিসমিল্লাহ গ্রুপের অনিয়ম, জনতা ব্যাংকের অ্যাননটেক্স ও ক্রিসেন্ট গ্রুপের ঋণ অনিয়ম। এ ছাড়া আলোচিত ঘটনাগুলোর অন্যতম ফারমার্স ব্যাংকের অনিয়ম, ইউনিয়ন ব্যাংকের বেনামি ঋণ ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের ঘটনা। আবার ন্যাশনাল ব্যাংকের ঋণ অনিয়মের ঘটনা কয়েক বছর ধরেই আলোচনায়। এসব অনিয়মে ভূমিকা রেখেছে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে জোরপূর্বক কয়েকটি ব্যাংকের মালিকানা দখল। ২০১১ সালে হলমার্কসহ পাঁচটি প্রতিষ্ঠান সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা (হোটেল শেরাটন) শাখা থেকে ঋণের নামে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়, যা নিয়ে তখন বড় আলোচনা তৈরি হয়। বাতিল করা হয় সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। আটক করা হয় সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা ও হলমার্কের মালিককে। সেই ঘটনার বিচারকাজ এখনো চলছে। টাকাও আদায় করতে পারছে না সোনালী ব্যাংক। ২০১১-১২ সালে বেসিক ব্যাংকের প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র পায় বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে প্রধান ভূমিকা রাখেন বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই ওরফে বাচ্চু। তবে শেখ আবদুল হাইয়ের কিছুই হয়নি। ব্যাংকও বড় অংশ টাকা আদায় করতে পারেনি। ২০১২-১৩ সালে বিসমিল্লাহ গ্রুপ কয়েকটি ব্যাংক থেকে এক হাজার ২০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। ঘটনা প্রকাশের পর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান বিসমিল্লাহ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ঋণগ্রহীতারা। ওই কেলেঙ্কারির ঘটনায় ক্ষতিতে পড়ে জনতা, প্রাইম, যমুনা, প্রিমিয়ার ও শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক। অ্যাননটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোকে উদারভাবে ঋণ দেয় জনতা ব্যাংক। এক গ্রাহককেই মাত্র ছয় বছরে তারা দেয় পাঁচ হাজার ৫০৪ কোটি টাকার ঋণ ও ঋণসুবিধা। নিয়মনীতি না মেনে এভাবে ঋণ দেয়ায় বিপদে ব্যাংক এবং গ্রাহকও ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না। ফলে পাওনা এখন সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকার বেশি, যার বড় অংশই এখন খেলাপি। ভুয়া রপ্তানি নথিপত্র তৈরি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ তুলে নেয়া হয়েছে। এভাবে সরকারের নগদ সহায়তা তহবিল থেকে এক হাজার ৭৫ কোটি টাকা নিয়েছে ক্রিসেন্ট গ্রুপ। অপকর্মে সহায়তা করার পাশাপাশি ক্রিসেন্ট গ্রুপকে অর্থায়নও করেছে জনতা ব্যাংক। ক্রিসেন্টের কাছে জনতা ব্যাংকের পাওনা দুই হাজার ৭৬০ কোটি টাকা। বিদেশে রপ্তানির এক হাজার ২৯৫ কোটি টাকা আটকে রয়েছে। ফলে আটকে গেছে বড় অঙ্কের অর্থ। এ ঘটনায় কারও বিচার হয়নি। অনুমোদন পাওয়ার পরই অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে ফারমার্স ব্যাংক। ফলে একসময় গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়। সরকারের উদ্যোগে ব্যাংকটি বাঁচাতে মূলধন সহায়তা দেয় সরকারি চার ব্যাংক ও একটি বিনিয়োগ সংস্থা। এখন ঘুরে দাঁড়াতে নাম পরিবর্তন করে ফারমার্স ব্যাংক হয়েছে পদ্মা। তবে ঋণের টাকা আদায় করতে পারছে না। ভল্ট কেলেঙ্কারির পর ঋণেরও বড় অনিয়ম হয়েছে ইউনিয়ন ব্যাংকে। শুধু ট্রেড লাইসেন্সের ভিত্তিতে কোম্পানি গঠন করে ঋণের বড় অংশই বের করে নিয়েছে প্রায় ৩০০ প্রতিষ্ঠান। আবার অনেক ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্সও ছিল না। কাগুজে এসব কোম্পানিকে দেয়া ঋণের বেশিরভাগেরই খোঁজ মিলছে না এখন। ফলে এসব ঋণ আদায়ও হচ্ছে না। ইউনিয়ন ব্যাংকের বিতরণ করা ঋণের ১৮ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা খেলাপি হওয়ার যোগ্য বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, যা ব্যাংকটির মোট ঋণের ৯৫ শতাংশ। সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২১ সাল শেষে ব্যাংকটির আমানত ৩৪ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা ও বিতরণ করা ঋণ ছিল ৩১ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ এক হাজার ৬২০ কোটি টাকা, যা ব্যাংকটির মোট ঋণের পাঁচ দশমিক ১৮ শতাংশ। কিন্তু ২০২১ সালভিত্তিক পরিদর্শন করে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, এসআইবিলের আরও পাঁচ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকার ঋণ খেলাপি হওয়ার যোগ্য। এতে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে সাত হাজার ২৯৯ কোটি টাকা, যা ব্যাংকটির মোট ঋণের ২৩ শতাংশের বেশি। পরিচালকদের মধ্যে কোন্দল, ক্রেডিট কার্ডে ডলার পাচার, বড় অঙ্কের সুদ মওকুফসহ নানা কারণে সংকটে ন্যাশনাল ব্যাংক। ফলে ব্যাংকটির ঋণ বিতরণও আটকে রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন ব্যাংকটিকে উদ্ধারে সমন্বয়ক নিয়োগ দিয়ে পরিস্থিতি উত্তরণের চেষ্টা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০১৭ সালে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় জোরপূর্বক পরিবর্তন আনা হয়। এ সময় দুই ব্যাংকের এমডিদেরও পদত্যাগে বাধ্য করানো হয়। আর এসব পরিবর্তনে তড়িঘড়ি সম্মতি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর পর থেকে ব্যাংক দুটিতে বড় অনিয়ম শুরু হয়।



 বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: শেখ আব্দুল হাইকেই দায়ী করছেন পরিচালকেরা

আসাদুজ্জামান ঢাকা

আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২৩






বেসিক ব্যাংকের ঋণপ্রস্তাব কিংবা ঋণ অনুমোদনের বিষয়ে বোর্ড সভায় আলোচনা কম হতো। বোর্ড সভার আগের দিন রাতে কিংবা বোর্ড সভার দিন কার্যবিবরণী পরিচালকদের কাছে জমা দেওয়া হতো। আবার ঋণ অনুমোদনের পর সেসব কাগজপত্রের তথ্য পরিচালকদের দেওয়া হতো না। ব্যাংকটির পরিচালকেরা দুদকের (দুর্নীতি দমন কমিশন) কাছে এমনটাই দাবি করেছেন।

তাঁরা বলেছেন, বছরের পর বছর তাঁদের কিছুই জানতে না দিয়ে একক কর্তৃত্ববলে নামসর্বস্ব কোম্পানির ঋণ অনুমোদন করেন বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী ফখরুল ইসলাম।

জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংকটির ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

তবে ব্যাংকটির সাবেক পরিচালকদের এমন বক্তব্যের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ব্যাংক ও কোম্পানি আইন বিশেষজ্ঞরা। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আহসানুল করিম প্রথম আলোকে বলেন, ‘কোম্পানি আইন অনুযায়ী, একটি ব্যাংকের বোর্ড সভার সাত দিন আগে পরিচালকদের কাছে কার্যবিবরণীর সব তথ্য পাঠাতে হয়। ঋণপ্রস্তাব কিংবা অনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে। ঋণপ্রস্তাবের কোনো বিষয়ে যদি কোনো পরিচালকের আপত্তি না থাকে, তাহলে ধরে নিতে হবে, সর্বসম্মতিক্রমে ঋণ অনুমোদন হয়েছে বোর্ড সভায়।’

আইনজীবী আহসানুল করিম আরও বলেন, ‘আইন মোতাবেক, রেজল্যুশনে পরিচালকদের স্বাক্ষর করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। পরিচালকেরা কোনোভাবে বলতে পারেন না; বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির বিষয় তাঁরা কিছুই জানেন না কিংবা জানতে দেওয়া হয়নি। সবকিছু করেছেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান, এমডি। বাস্তবিক অর্থে, বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির দায় কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না পরিচালকরা।

মাদকের দেড় কোটি টাকায় ডেনমার্কে রেস্তোরাঁ খুলতে চেয়েছিলেন তিনি

  মাদকের দেড় কোটি টাকায় ডেনমার্কে রেস্তোরাঁ খুলতে চেয়েছিলেন তিনি আহমদুল হাসান ঢাকা আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৩ ডিএনসির হাতে গ্রেপ্তা...